হুতুমপেঁচার স্কুল

হুতুমপেঁচা স্কুল দিল
পড়তে এলো সাপের ছানা,
যত রকম প্রশ্ন করে
পেঁচার তো নেই অতো জানা!
পাখির ডাকে মানুষ জাগে।
সূর্য ওঠে কার ডাকে?
ফুলের গন্ধে ভ্রমর আসে।
কার কথাতে চন্দ্র হাসে?
নদীর জল যেনো তেনো
সমুদ্রের জল নোনা ক্যানো?
চাঁদ জ্বলেনা! তাঁরা জ্বলে!
জাতীয় ফুল ক্যানো জলে?
রেগে এবার হুতুমপেঁচা মারলো কষে চর
এক চরে তে সাপের ছানার আসলো গায়ে জ্বর।
ভয়ে পেঁচা জড়োসরো কোন খানেতে যাই!
অজগর না এবার তাকে আস্ত গিলে খাই!
যাচ্ছিল ব্যাঙ দর্জিবাড়ি, করছিল সে তাড়াতাড়ি
পেঁচার অমন মুখটা দেখে
একটু খানি থামলো।
কি কাহিনী, কি হয়েছে? একটু জানতে চাইলো।
বল্লো খুলে হুতুমপেঁচা,
সাপের ছানার সব তামাশা।
হাসলো জোরে কুনোব্যাঙ ঘ্যাঙর ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ!
কে হাসেরে এত্ত জোরে আমার ঘুম নষ্ট করে?
বেরিয়ে এলো শিয়াল মশাই,
ঘটনা কি জানতে চাই?
সবটা শুনে শিয়াল বলে
এভাবে কি স্কুল চলে!
জ্ঞান যদি দিতে চাও
আগে তবে জ্ঞানী হও।

English Translate


  • পড়া হয়েছেঃ ৯৪
  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ১৭ মে ২০১৯

বিঃদ্রঃ মুক্তকলাম সাহিত্য ডায়েরি, লেখকের মতপ্রকাশের পূর্ণ স্বাধীনতার প্রতি সম্মান রেখে, কোন লেখা সম্পাদনা করা হয়না। লেখার স্বত্ব ও দায়-দায়িত্ব শুধুমাত্র লেখকের।