মূক

চারকোনা ছাদের তলে
কয়েক টুকরা কাঁচের কুচি ছিন্নভাবে আনাচে কানাচে।
দেয়াল জুড়ে শেওলা, কালো দাগের মিছিল।
নোনা ধরা ইটের গুড়োই
কিছুটা ধস্তাধস্তি!
আমার ঠোঁটের ছিন্নরং,
তাঁর গালে আমার আঁচরের দাগ, মাটিতে আমার ভাঙাচুরি, শত আহাজারি
তাঁর মনে আছে কিনা জানিনা,
আমিতো রোজ মনে করে মরি!
নিস্তব্ধতার দেয়া্লের পটে ভয়ানক রাত্রী,
তবু বাঁচতে হয় রোজ একটু একটু মরে,
পুরাণ সৃত্মি যখন নতুন করে মনে পড়ে।
শব্দহীন নিঃশ্বাস, হঠাৎ মাঝে মাঝে।
মেঘ হয়ে চেয়ে থাকে তাঁর ভয়ানক কুৎসিত আঁখি!
প্রতিনিয়তো ঘৃণায় গা ঘিন ঘিন করে,
মনে পড়ে কাল মুহূর্ত শিহরণে ধর্ষক!
ভালবাসার স্পর্শ ছিলনা যেটা শরীরের ভাজে ভাজে
সেতো আমায় মারবেই রোজ সকাল সাঁঝে।
আমি কেঁদেছিলাম, কাঁদছি!
সে হেসেছিল, হাসছে
পঙ্গু সমাজ চেয়ে দেখেছে, দেখছে!
দিন গেছে বিবর্তন আসেনি!
আমরা মরেও মরিনি!

English Translate


  • পড়া হয়েছেঃ ৭৮
  • লেখার সময়ঃ সোমবার, ২০ মে ২০১৯
  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯

বিঃদ্রঃ মুক্তকলাম সাহিত্য ডায়েরি, লেখকের মতপ্রকাশের পূর্ণ স্বাধীনতার প্রতি সম্মান রেখে, কোন লেখা সম্পাদনা করা হয়না। লেখার স্বত্ব ও দায়-দায়িত্ব শুধুমাত্র লেখকের।