অপরাধের রাস্তা ধরে কতদূর যাবে বাংলাদেশ

অপরাধের রাস্তা ধরে কতদূর যাবে বাংলাদেশ

মোমিন মেহেদী

রবিবার, ২৮ জুলাই ২০১৯


মোমিন মেহেদী

স্বাধীনতার পর স্বাধীনতা বিরোধী-দুর্নীতিবাজ-জঙ্গী-সন্ত্রাসী-খুনি আর রাজনৈতিক কলেঅ মানুষদের কারণে অন্যায়-অপরাধের কব্জায় আজ সকল শ্রেণি পেশার মানুষ। একটি ঘটনা বলি- পুলিশের একজন উপ-পরিদর্শক গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনার উদ্দেশে রওনা দেন। কাছে ছিল এলজি২৪ এইচ৪৫৪এ মডেলের এলইডি টিভি, সিম্ফনি এল৬২ মডেলের মোবাইল ফোন, দুই সেট ইউনিফর্ম ও নগদ তিন হাজার টাকা। রাজধানীর মহাখালীর আমতলী ফ্লাইওভারের নিচে একটি সিলভার রঙের প্রাইভেটকার (ঢাকা-মেট্রো-গ-১৪-৪৫৮৫) তার সামনে এসে দাঁড়ায়। গাড়িটি নেত্রকোনায় যাবে বলে জানায়। ৩০০ টাকা জনপ্রতি ভাড়ায় ওই প্রাইভেটকারে ওঠেন এসআই নূর-ই আলম। ওঠা মাত্রই অস্ত্রের মুখে জিম্মি করা হয় তাকে। প্রাইভেটকারের পেছনে ও দুই দরজার দুই পাশে মোট চারজন তাকে মাঝখানে বসিয়ে হাত-পা ও চোখ বেঁধে ফেলেন। তার শরীর তলস্নাশি করে মানিব্যাগ নিয়ে নেয়া হয়। এটিএম কার্ড দিয়ে বুথ থেকে টাকা তুলতে গিয়ে অ্যাকাউন্টে টাকা না থাকায় বেধড়ক মারপিট করা হয়। কাছে থাকা সব মালামাল লুট করে কিল-ঘুষি দিয়ে বাম চোখ করা হয় রক্তাক্ত। মারধরের পর হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তাকে রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যায় ছিনতাইকারী দল। ওই ঘটনার পর প্রত্যক্ষদর্শীদের সহযোগিতায় এসআই নূর-ই আলমকে উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তিনি মামলা করেন। ওই মামলায় ছায়া তদন্ত করতে গিয়ে চার ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

এখন কথা হলো- পুলিশ বিধায় অপরাধকে কঠিন চেষ্টায় অটক করলেও সাধারণ মানুষের সাথে ঘটে যাওয়া কয়টি ঘটনায় অপরাধী গ্রেফতার হচ্ছে? একটিও না। তার প্রমাণ ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ডিবি) মাহবুব আলম-এর এই বক্তব্য- ‘প্রাইভেটকারে ভাড়ায় যাত্রী বহনের নামে একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্র সক্রিয়। আগে থেকে যাত্রী বেশে কয়েকজন ছিনতাইকারী বসে থাকে। কিছু না বুঝে প্রাইভেটকারে ওঠা মাত্র অস্ত্রের মুখে জিম্মির পর টাকা ও মালামাল ছিনিয়ে নিয়ে মারধরের পর ছেড়ে দেয়ার ঘটনাও ঘটছে। রাজধানীর খিলক্ষেত, মহাখালী, হাতিরঝিল এলাকায় এ চক্রের সদস্যরা সক্রিয়। তাদের হাত থেকে বাদ যাচ্ছে না আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও।

অবশ্য শত শত ঘটনা ঘটে প্রতিদিন। আর পুলিশ অপরাধী ধরতে পারে দুই একদিন। যেট ফলাও করে প্রকশিত হয় পত্রিকয়। কিন্তু সারাদেশে যে হারে অন্যায় বেড়েছে, সে হাওে সৎ পুলিশ তৈরি হয় নি, আসেন সততা প্রশাসনের কোথাও। যে কারণে শুধু ছিনতাই নয়, গত এক মাসে প্রায় অর্ধ শতাধিক ডাকাত দলের সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত এক মাসেই ডিএমপির বিভিন্ন থানায় দুই শতাধিক ছিনতাই ও ডাকাতির মামলা হয়েছে। গণমাধ্যম বলছে- খিলগাঁওয়ের সিগমা হাসপাতাল রোড এলাকায় ডাকাতির চেষ্টা করছিল শরীফ, রকি, রাশেদ, রিমন ও রিয়াদ নামে পাঁচ ডাকাত। খবর পেয়েই হাতেনাতে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দুটি চাপাতি ও তিনটি ছুরিসহ তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ। রাজধানীর তেজগাঁও থানা এলাকা থেকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে রেজাউল করিম ওরফে রাজু (২২), মুন্না (২৪), জুয়েল (১৮), আল আমিন (২০) ও সাগর (১৮) নামে পাঁচ ডাকাতকে গ্রেফতার করে ডিএমপির গোয়েন্দা পশ্চিম বিভাগ। উদ্ধার করা হয় একটি চাপাতি, দুটি ছুরি, একটি লোহার পাইপ ও একটি হাতুড়ি। ডাকাতির চেষ্টাকালে কারওয়ানবাজার থেকে গ্রেফতার করা হয় তিনজনকে। পুলিশ সেজে ডাকাতিতে জড়িত ৮ ডাকাতকে গত ৯ জুলাই রাজধানীর গুলিস্তান হকার্স মালিক সমিতি মার্কেট এলাকা থেকে আটক করে ডিবির দক্ষিণ বিভাগ।

এক ভুক্তভোগী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন সম্প্রতি- ক্যান্টনমেন্টের পোস্ট অফিস থেকে ট্রাস্ট পরিবহনে উঠেছিলাম। ৫ মিনিট পর এক মেয়ে গায়ে বমি করে দিল। এর ৩০ সেকেন্ট পর বুঝলাম পকেট থেকে যা ছিল সব গায়েব। নিখুঁতভাবে আমার নতুন প্যান্টটা কেটে ফেলেছে। ক্যান্টনমেন্টের মধ্যেই যদি এমন অবস্থা হয় অন্য জায়গায় না জানি কী অবস্থা? এ জাতীয় ঘটনা ট্রাস্ট পরিবহনে আগেও ঘটেছে। ব্যাপারটা রহস্যজনক। এমন হাজারো রহস্যও মধ্য দয়ে হাজারীবাগ থানাধীন কেবি মেটাল ওয়ার্কশপ নামের কারখানায় ঢুকে দারোয়ান ও কর্মচারীদের অস্ত্রের মুখে মারধর ও হাত-পা বেঁধে ১৫ টন পিতলের মালপত্র নিয়ে যাওয়া হয়। যার আনুমানিক মূল্য সাড়ে ৬০ লাখ টাকা।

আর পুলিশ! এই সেক্টর বরাবরের মত বলছে- ডাকাতি-ছিনতাইয়ের ঘটনা এলার্মিং হিসেবে নিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ সক্রিয় গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গ্রেফতারদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পলাতক ডাকাত ও ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যদের গ্রেফতারে তৎপর রয়েছে ডিবি পুলিশ। কিন্তু কতটা তৎপর তা জানতে দৈনিকের পাতায় চোখ রাখলেই বোঝা যায়। পাশাপাশি আমাদের ক্ষয়ে যাওয়া সমাজপতিদের রক্ষাকবজ টেলিভিশনতো আছেই

এখন কথা আসতে পারে - দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি কি ভেঙে পড়ছে, না হলে প্রতিদিন এতো খুন খারাবি রাহাজানির ঘটনা ঘটছে কেন? রাজধানী থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যন্ত অ লেও সন্ত্রাসীরা তৎপর। সামান্য কথা কাটাকাটি নিয়েও ঘটছে খুনের ঘটনা। চুরি, ডাকাতি, রাহাজানি, খুন, ধর্ষণ ও অপহরণ যেন নৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে গিয়ে কোথাও কোথাও ভাড়াটে খুনিদেরও ব্যবহার করা হচ্ছে। গত কয়েক দিনের অপরাধচিত্র পর্যালোচনা করলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে, সমাজ কি দিন দিন অপরাধ প্রবণ হয়ে উঠেছে? বিয়ানীবাজার উপজেলায় অহরহ ব্যক্তি নিখোঁজ হচ্ছে। এতে নিখোঁজের সন্ধান পেতে থানায় পৃথক সাধারণ ডায়েরী করা হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা নিয়ে স্বজনদের অনেক অভিযোগ রয়েছে। মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে এ উপজেলায় সাত ব্যক্তি নিখোঁজ হন। প্রতিনিয়ত বাড়ছে অপরাধ তা নিষ্পত্তি করতে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে, তা না হলে অপরাধ কেবল প্রশয় পেয়ে বাড়তেই থাকবে।

প্রতিদিনের অন্যায়-অপরাধই বলে দেয় অপরাধ প্রবণতা কোন মাত্রায় গেছে, সমাজকে কোনোভাবেই কি এসব অপরাধ থেকে মুক্ত করা সম্ভব নয়? সামাজিক অপরাধের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে পারিবারিক অপরাধও বেড়ে যাবে ধারাবাহিকতায়। কিশোর-যুবকরাও নেমে পড়ছে খুন, রাহাজানির মতো অপরাধ তৎপরতায়। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে না পারলে সমাজের সুস্থ পরিবেশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে না, এজন্য আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকেও তৎপর হতে হবে। দেশের আইনি প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতাও অনেক সময় অপরাধীদের উৎসাহিত করে। আবার আইনি প্রক্রিয়ার ফাঁকফোকর দিয়ে বেরিয়ে গিয়ে অপরাধী চক্র নতুন করে অপরাধ করে। অনেক সময় দুর্বল অভিযোগপত্র অপরাধীকে সুরক্ষা দেয়। আইনের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে অপরাধীরা পার পেয়ে যায়। নতুন করে সক্রিয় হয়। এ অবস্থা থেকে মুক্তির উপায় খুঁজে বের করতে হবে। নাগরিকের জন্য দেশকে নিরাপদ করতে হবে। সবার মধ্যে নিরাপত্তাবোধ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে সামাজিকভাবে। তবে সবার আগে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আইনের সুষ্ঠু প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে অপরাধীদের যথোপযুক্ত শাস্তি। সচেতন মানুষের পাশে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী থাকলে অপরাধ দমন কঠিন হবে না। দেশের মানুষের মনে নিরাপত্তাবোধ নিশ্চিত করতে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরো সক্রিয় হতে হবে। অপরাধ দমনে তাদের ক্ষমতা ও আন্তরিকতার পরিচয় পেতে চায় দেশের মানুষ। আইনের যথার্থ প্রয়োগের মধ্য দিয়ে সন্ত্রাসমুক্ত দেশ গড়ে তোলা সম্ভব বলে অন্তত আমি বিশ্বাস করি।

অনেক অপরাধ-দুর্নীতির মধ্যে আরো একটি বিষয় এসে যোগ হয়েছে, আর তা হলো- নারী নির্যাতন। বিবাহিত জীবনে বাংলাদেশী নারীদের ৮৭ শতাংশই নির্যাতনের শিকার। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি ইউএনডিপি বলছে, প্রতি ১০ জন নারীর মধ্যে একজন কোনো না কোনোভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। নির্যাতন সহিংসতার হাত ধরে এগিয়ে যেতে যেতে চাইছে যেন বাংলদেশ। কিন্তু তা হবার নয়। এই বিষয়টও বতর্তমান ক্ষমাসীনদের মাথায় আসে না। আর একারণেই বলতেই হচ্ছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী দেশের সামাজিক পরিস্থিতি একটি আতঙ্কের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের সামাজিক অপরাধ বাড়ছে। এসব অপরাধ আচরণগত বিচ্যুতির সর্বোচ্চ প্রদর্শন। নির্বাচনের পরেই নোয়াখালীতে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্ষণ, হত্যা, ধর্ষণ পরবর্তী হত্যা প্রভৃতি অপরাধগুলো চলতি বছরের প্রথম মাসের প্রথমার্ধেই যে পরিমাণে ঘটেছে তা সমাজ ও রাষ্ট্রিক কাঠামোর মানব সম্পর্ক তৈরির প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- প্রথমত, আমাদের দেশে অপরাধ ও অপরাধীর রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা। রাজনৈতিক ক্ষমতা কিংবা দাপট অনেক ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক দাপটের চেয়েও বেশি শক্তিশালী। কারণ রাজনৈতিক ক্ষমতা বলে সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংগঠনকে অপরাধী নিজের বলয়ে কাজ করার শক্তি প্রয়োগ করে। ফলশ্রুতিতে সমাজের মানুষের মধ্যে রাজনৈতিক ক্ষমতা কিংবা দর্শন সম্পর্কে বিভক্তি সৃষ্টি হয়। রাজনৈতিক দলগুলোর একটি কার্যকর ঘোষণা দেশের অপরাধের চিত্র পরিবর্তন করার সুযোগ রাখে। ঘোষণাটি হলো- অপরাধীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নাই। নোয়াখালীসহ অন্যান্য ধর্ষণের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, এটি প্রশংসিত। তবে বিচারের কাজটি সংক্ষিপ্ত সময়ে শেষ করতে হবে। অন্যথায় ধর্ষণের শিকার নারী ও তার পরিবারের সদস্যদের কাছে এবং সমাজের নিকট সরকার ও রাষ্ট্রের সামাজিক জবাবদিহিতা এককেন্দ্রিক ভূমিকা সৃষ্টি করবে। এর ফলে সম্পর্ক ও বিশ্বাসের ঘাটতি তৈরি হয়। দ্বিতীয়ত, বর্তমান সময়ে মানুষের সামাজিক ও আচরণগত সুস্থতার বিষয়টি সর্বাধিক আলোচিত। যে সমস্ত দেশ সামাজিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, তারা সামাজিক ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করেছে। কারণ সামাজিক সুস্থতা ও প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য সামাজিক উদ্যোগ তথা মানুষের মধ্যে সমষ্টিগত চেতনা জাগ্রত করা অপরিহার্য। এই সমষ্টিগত চেতনায় মানুষ পরস্পর আলিঙ্গনবদ্ধ হবে এবং সমষ্টি স¤প্রীতি বাড়াবে। চলমান রাজনীতিবেষ্টিত অপরাধ ও আচরণগত বৈকল্যকেন্দ্রিক অন্যান্য সামাজিক অপরাধ নিরসনে তথা নিয়ন্ত্রণে তিনটি কৌশলের প্রয়োগ অধিক কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে। প্রথমত, দেশীয় সংস্কৃতি ও সামাজিকীকরণের প্রেক্ষাপট অনুযায়ী সংশোধনের সুযোগ রেখে আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত প্রয়োগ করা, দ্বিতীয়, নিজস্ব সংস্কৃতি চর্চার মধ্যদিয়ে সমাজে রুচিশীল আচরণকে স্বাগত জানানো যা পরস্পর সহনশীলতা ও শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত করবে। তৃতীয়ত, সমাজের সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলো রাষ্ট্রের সহযোগিতায় ক্রিয়াশীল করা যাতে প্রতিটি নির্দিষ্ট সমষ্টিতে বা এলাকায় পরস্পর উপলব্ধি ও সমঝোতামূলক সংস্কৃতির জয়যাত্রা শুরু হয়। এ উদ্যোগ মানুষকে মানুষে পরিণত করবে, অপরাধী হিসেবে নয়। আর তাই চাই সবাই মিলে ভালোবাসা-শ্রদ্ধা আর সম্প্রীতির দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে গড়তে ঐক্যবদ্ধ হোক। যদি তা না হয়, তাহলে হতাশা আর আফসোস নিয়ে বলতেই হবে - বাংলাদেশ আর কতকাল উদ্ভট উটের পিঠে চড়ে চলতে থাকবে, আমার জানা নেই। তবে বরাবরের মত অনুমান করতে পারছি- সহসাই মুক্তি মিলবে না উদ্ভট এই পিঠের কবল থেকে


  • পড়া হয়েছেঃ ৪২ বার
  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ২৮ জুলাই ২০১৯

সর্বশেষ প্রকাশিত